১৯৪০ সাল! ঠিক এভাবেই এসেছিল একটু আশ্রয় পাওয়ার আশায়
![]() |
(ছবি-১)। ফিলিস্তিনিরাও মানবিক কারনে দিয়েছে আশ্রয়। তারাই আজ ফিলিস্তিন মুছে দিয়ে ইজরায়েল প্রতিষ্ঠিত করতে মরিয়া (ছবি-২)। এরাই ইহুদি জাতি।
১৯১৭ সালের ২রা নভেম্বরে, বেলফোর ঘোষণার উপর ভিত্তি করে; ১৪ই মে ১৯৪৮ সালে, স্বাধীন ফিলিস্তিনের বুকে অযৌক্তিক, অবৈধভাবে জন্ম নেওয়া ইজরায়েল নামক বিষবৃক্ষ এখন ক্যান্সারের শেকড় এর মত নিজেকে বিস্তৃত করেই চলেছে। থেমে নেই, এই উড়ে এসে জুড়ে বসা জাতির দখলদারিত্ব। আরব দেশগুলো ঐক্যের কফিনে পেরেক মেরে স্বার্থের সাগরে ডুব দিয়েছে। আর জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের এক অযৌক্তিক নীতিমালার কারণে ওআইসি এর যৌক্তিক সিদ্ধান্তগুলো প্রতিষ্ঠিত হতে পারছে না।
আমাদের সংবিধানের ২৫(গ) নং অনুচ্ছেদে আছে- বাংলাদেশ বর্ণবাদ, সাম্রাজ্যবাদ, ও উপনিবেশবাদের বিরুদ্ধে বিশ্বের নিপীড়িত জনগণের ন্যায় সংঙ্গত সংগ্রামকে সমর্থন করবে। তাই আমরা একাত্মতা, সর্বতোভাবে ঘোষণা করি স্বাধীন ফিলিস্তিনিদের অধিকারের সাথে। আর সেই সাথে বর্জন করি ইহুদিদের সকল পণ্য।
আমরা আমাদের যায়গা থেকে ফিলিস্তিনি ভাই-বোনদের সাহায্য করতে পারছিনা কিন্তু ইহুদিদের পণ্য বর্জন করে তাদের অর্থনৈতিক ভিত্তিতে নাড়া দিতে পারি। সরাসরি যুদ্ধে পরাজয়ের তুলনায় অর্থনৈতিক উপক্ষয় কোন অংশে কম নয়। চলুন সবাই মিলে জায়োনিস্টদের পণ্য বর্জনে এগিয়ে আসি।
বাংলাদেশে বহুল ব্যবহৃত কিছু ইহুদি বা ইজরায়েলি পণ্য:
১. Nokia মোবাইল
২. ক্লোজ আপ টুথপেস্ট
৩. সেভেন আপ
৪. পেপসি - Pepsi/ কোকাকোলা, স্প্রাইট
৫. ট্যাং-Tang
৬. মিরিন্ডা -Mirinda
৭. ম্যাগি নুডুলস - Maggi /ম্যাগি-এর ফুড প্রোডাক্টস
৮. নেসক্যাফে
৯. নিডো গুঁড়ো দুধ
১০. নেসলে ফুড প্রোডাক্টস
১১. ফেয়ার এন্ড লাভলি
১২. লাক্স/ ডাভ সাবান
১৩. সার্ফ এক্সেল/ হুইল সাবান, গুঁড়ো পাউডার
১৪. কিটক্যাট চকলেট
১৫. অ্যাকুয়াফিনা পানি
১৬. ম্যাকডোনাল্ডস
*এছাড়া বার কোডের প্রথম তিন ডিজিট ৭২৯(বাম দিক থেকে) থাকলে সেই পণ্য ইজরায়েলি পণ্য হবে। চলুন সবাই মিলে এসব পণ্য বর্জন করি। আমাদের ঐক্যর ডালপালা মেলে ধরি।

