সবকিছু উপেক্ষা করে নিজের জীবনকে উৎসর্গ দিয়ে যেভাবে মানুষ বাড়ি যাওয়ার শুরু করেছে তাতে মনে হয় না এই বাংলাদেশে করোনার লকডাউন হয়েছে।বর্তমান সময়ে বাংলাদেশের লকডাউন থাকার সত্বেও মানুষ যেভাবে সামান্য সুখের জন্য নিজের জীবনকে উৎসর্গ করে দিয়ে বাড়ির মুখে যাচ্ছে এতে নিজের জীবন হুমকিস্বরূপ হয়ে দাঁড়াচ্ছে এতে একটা পরিবারের দুঃখ কষ্ট সবকিছু বাদ দিয়ে মানুষের জীবনটা কে উৎসর্গ করে দেওয়া ছাড়া কিছুই নয় বর্তমান সময়ে ফেরি প্রাইভেটকার বাস এগুলোতে যেভাবে মানুষ বাড়ি যাচ্ছে তাতে মনে হয় না তারা লকডাউন মনে করছে।
তারা এই করনা কে উপেক্ষা করে শপিংমল গুলোতে যেভাবে ভীর করতেছে তাতে মনে হয় না তারা লকডাউন কে অনুসরণ করে এতে করে আরও সংক্রামন ছড়ার বেশি প্রভাব পড়ে । যে ভাবে মানুষের শপিংয়ে করার জন্য অনেক উতলা হয়ে আছে ওপার বাংলায় মানুষের লাশের স্তব-স্তুতি যেখানে পৃরা ভারতবর্ষে। মানুষ এখনো অসচেতন বাংলাদেশের সরকার হাজারো চেষ্টা করার পরেও বাঙালি সঠিকভাবে পরিচালনা করার পরও তারা লকডাউন মানছে না যার জন্য তারা নিজের জীবনকে মৃত্যুর মুখে ঠেলে দিয়েছে।
বর্তমানে ভারতবর্ষে যে করোনার পরিস্থিতি তা তাদেরকে মোকাবেলা করতে সরকার হিমশিম খেয়ে যাচ্ছে দিনের পর দিন অন্যদিকে এপার বাংলা ওপার বাংলার মানুষ ঈদ আনন্দে হৈচৈ পূর্ণ যাতে যাতে মনে করে না যে করোনার এর প্রভাবে তাদের জীবন কতটা ঝুঁকিপূর্ণ
দিনের পর দিন যাবে সংক্রমণ ছড়াচ্ছে যাতে বাংলার মানুষ অচেতন অনেকটাই কমিয়ে দিয়েছে তারা মনে করছে করো নাই এরকম প্রভাবে কিন্তু যারা একবার করণায় আক্রান্ত হয়েছে তাদের জীবনটা কতটা কষ্ট একমাত্র তারাই বুঝতে পারে বর্তমানে বাংলাদেশের লকডাউন থাকা সত্ত্বেও যেভাবে বাড়ি যাচ্ছে মানুষ। হাজার হাজার মানুষ এখানে অনেক মানুষ মারা যাচ্ছে এ ক্ষেত্রে সামান্য সুখের জন্য সারা জীবনের কান্না হয়ে যাচ্ছে সেটা মানুষ বুজতেছেন অসচেতন হইলে মানুষ এতটা নিচে চলে যায় তারা আসলে বলার মত বাধা পায় না সরকার হাজার চেষ্টা করেও থামাতে পারেনা।
