আমাদের পিছিয়ে দেয়া মানসিকতা বনাম বর্তমান অবস্থা।
আজকে এমন একটি বিষয়ে আলোচনা করবো বিষয়ে আলোচনা খুবই কম হয় উপরন্তু আমরা এটা নিয়ে আত্মতুষ্টিতে ভুগি।
যদি বলা হয় আমাদের টিমের খেলোয়াড় রেশিও কী? উত্তর আসবে ৮ ব্যাটসম্যান যাদের মধ্যে সাইফুদ্দিন এবং সাকিবকে আমরা অলরাউন্ডার হিসাবে খেলাচ্ছি এবং ৩ জন জেনুইন বোলার।
অন্য টিমগুলোর ফর্মেশন কী? উত্তর হবে সবাই ৭ ব্যাটসম্যান খেলায় যাদের ১/২ জন অলরাউন্ডার।
খেলায় নামার আগেই আমরা ডিফেন্সিভ স্ট্যাটাজিতে পিছিয়ে যায়। আমরা আত্মতুষ্টিতে ভুগি যে আমরা ৮ ব্যাটসম্যান খেলাচ্ছি। অথচ আমরা সাইফুদ্দিনকে বোলার হিসাবেই ব্যবহার করছি।
এখানে দুইটা প্রশ্ন উঠে আসে।
১. আমরা আসলে মিরাজ এবং সাইফুদ্দিনকে কী অলরাউন্ডার হিসাবে ব্যবহার করি? তাদের সেভাবে ট্রিট করি?
অবশ্যই না
২. এই স্ট্যাটাজি আমাদের কয়টা ম্যাচ জিতিয়েছে?
বিচ্ছিন্নভাবে ১/২ টা। অনেকগুলোতে ১ বোলারের অভাব বোধ করি।
আসুন এখন এ বিষয়ে ম্যানেজমেন্টের সম্ভাব্য যুক্তিগুলা দেখি এবং খণ্ডনের চেষ্টা করি।
১. মাহমুদউল্লাহ যেহেতু আমাদের ফিনিশার, তাকে শেষ দিকে সাহায্য করতে ৮ ব্যাটসম্যান।
আমার উত্তর: আমরা যদি ৮ এবং ৯ নং পজিশনের খেলোয়াড়দের বোলার হিসাবেই ট্রিট করি তাতে কী লাভ হয়? সাইফুদ্দিন এবং মিরাজের তো ব্যাটিং নিয়ে আমরা আলাদা কাজ করি না। এদিকে মোসাদ্দেকের মতো মিডিলওর্ডারের ব্যাটসম্যানকে আমরা জোর করে ফিনিসার বানাচ্ছি। সাইফুদ্দিনকে নিয়ে আলাদাভাবে কাজ করা যায়। সে ইনজুরিতে থাকলে বিকল্প ভাবা যায়। সে না থাকলে অন্য স্ট্যাটেজি নিতে হবে।
২. শেষদিকে কিছু রান যোগ করতে।
আমার উত্তর: ১ বোলার কম নিয়ে খেলে এতোদিন কী হয়েছে আমাদের। পিছিয়েই তো যাচ্ছি।
আমাদের মতো পিছিয়ে পড়া দলগুলোর আসলে এগ্রেসিভ খেলার বিকল্প নাই। ৮ ব্যাটসম্যান নিয়ে এগ্রেসিভ খেলা যায় না।
আমার মতে একাদশ এমন হওয়া উচিত
তামিম
লিটন/ সৌম্য/ নাইম শেখ
সাকিব
মুশফিক
মোসাদ্দেক/ আফিফ/ শান্ত
মাহমুদউল্লাহ
সাইফুদ্দিন/আফিফ
মিরাজ/মাহেদি
তাস্কিন
মোস্তাফিজ
আল আমিন/ হাসান মাহমুদ/ শরিফুল
সৌম্যকে পরীক্ষা নিরিক্ষা করা শেষ, এখন এসেছি ইমরুলকে নিয়ে। এর পর কাকে নিয়ে পরীক্ষা করবো? আমাদের টিম লাইন আপ কবে স্টেবল হবে? ২৩ বিশ্বকাপের পরে?
