শুভ জন্মদিন মুশফিকুর রহিম ভাই 🎂🎂🥰
.
১৯৮৭ সালের আজকের এই দিনে বগুড়ার বিখ্যাত বড় পরিবার মাহবুব হামিদের ঘর আলো করে আসেন মুশফিকুর রহিম। 💚
.
তার বাবার হাত ধরেই বগুড়ার 'মাটিডালি ক্রীড়াচক্রের' মাধ্যমে ক্রিকেটের পথ চলা শুরু। কিন্তু সেখানে পর্যাপ্ত কোচিং ব্যাবস্থা না থাকায় মানিয়ে নিতে পারছিলেন না তিনি। তারপরও মাটিডালিতেই নিতে থাকলেন ক্রিকেট এর শিক্ষা, অন্য দিকে পড়াশোনা ও চালিয়ে যাচ্ছেন পুরোদমে। 💜
.
একবার হুট করেই বড় মঞ্চে সুযোগ হয়ে গেলো। তার বাবা জানতে পারেন বাংলাদেশের একমাত্র ক্রীড়া প্রতিষ্ঠান 'বিকেএসপি'তে ভর্তি ফরম ছেড়েছে, তাই দেরি না করে ছেলের জন্য একটি ফরম পূরণ করে জমা দিয়ে দিলেন। 🤎
.
'বিকেএসপি'তে সুযোগ পেয়ে শুরু করে দিলেন কঠিন পরিশ্রম। সে বয়সেই তিনি বুঝে গিয়েছিলেন 'Hard Work Makes A Man Perfect' তাই তো নিজেকে উজাড় করে দিচ্ছেন পরিশ্রমের মাধ্যমে। পরিশ্রমের ফল ও পাচ্ছিলেন.. 💙
.
বয়সভিত্তিক ক্রিকেটে দুর্দান্ত পারফরম্যান্স করেন আর তাতেই বিসিবির চোখ পড়ে তার উপর। ডাক পেয়ে যান ২০০৫ সালের ইংল্যান্ড সফরের স্কোয়াডে।
সে সফরে প্রস্তুতি ম্যাচে হাঁকান একটি দুর্দান্ত সেঞ্চুরি, খেলেন ১১৫ রানের অপরাজিত ইনিংস, আর তাতেই ভাগ্য খুলে যাই। 💛
.
'লর্ড'সে ২০০৫ সালের ২৬ মে ইংল্যান্ডর বিপক্ষে প্রথম টেস্টে সাদা পোষাক দিয়েই আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অভিষেক হয়ে যাই মুশফিকুর রহিমের। অভিষেক টেস্টের প্রথম ইনিংসে করেন ১৯ রান যা ছিলো সে ইনিংসের তৃতীয় সর্বোচ্ছ রান। 🖤
.
এরপর ২০০৬ সালে ৬ আগস্ট জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ওডিআই ক্রিকেটে অভিষেক হয় মুশফিকুর রহিমের। ওডিআই তে প্রথম যেদিন ব্যাটিং করার সুযোগ পেয়েছিল সেদিন খেলেছিলেন অপরাজিত ১৮ রানের ইনিংস। 🤍
.
২০০৬ সালে ক্রিকেটের ছোট্ট ফর্মেট টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে অভিষেক হয় মুশফিকুর রহিমের।
.
এরপর আর পিছনে ফিরে তাকাতে হয়নি মিঃ ডিপেন্ডেবল কে। গড়েছেন একের পর এক রেকর্ড, আর রচনা করেছেন ইতিহাস। নিজেকে নিয়ে গেছেন অনেক উচ্চতায়। নিজের নামটা রেখেছেন লিজেন্ডদের কাতারে। 💗
.
এখানে থামলে চলবে না, এখনো দেশকে দেওয়ার অনেক কিছুই বাকি আছে। দেশকে এগিয়ে নিয়ে যান। সাথে নিজের ক্রিকেট ক্যারিয়ার কে নিয়ে যান অনন্য উচ্চতায়। 💖
.
জন্মদিনের আরো একবার শুভেচ্ছা মিঃ ভালোবাসা। হাজার বছর বেঁচে থাকেন আমাদের মাঝে। পরিবার পরিজন নিয়ে সবসময় সুখে থাকেন। আল্লাহ আপনাকে সর্বদা সুস্থ ও সুরক্ষিত রাখুক। ❤️😍

শুভ জন্মদিন 🥰
ReplyDelete