ঝড়ের কারণে দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া নৌরুটে ফেরীর পন্টুনের তার ছিড়ে একটি নোহা গাড়ী পানিতে পড়ে ডুবে যা

 ঝড়ের কারণে দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া নৌরুটে ফেরীর পন্টুনের তার ছিড়ে একটি নোহা গাড়ী পানিতে পড়ে ডুবে যায়।


ছোটবেলায় ডিসকভারি চ্যানেলে একটা এডুকেশনাল প্রোগ্রাম দেখছিলাম। একটি এপিসোডে দেখাচ্ছিল কিভাবে ডুবন্ত গাড়ি থেকে বের হওয়া যায়। যতটুকু মনে আছে শেয়ার করছি।  


ডুবন্ত অবস্থায় আপনি যখন একটি গাড়ির মধ্যে থাকবেন আপনার সবচেয়ে বড় অন্তরায় হবে প্যানিক এট্যাক। যার কারণে আপনি উপস্থিত কি করতে হবে ভুলে যাবেন। তখন আপনি সবচেয়ে বেশি চেষ্টা করবেন গাড়ির কাঁচ ভাঙার। আর এ কাজটি করে কখনই পেরে উঠবেন না। 


দ্বিতীয় যে কাজটি আপনি করবেন সেইটি হলো দরজা খোলার চেষ্টা। এই কাজেও আপনি বিফল হবেন। কারণ দরজার কিছু অংশ যখন পানির নিচে চলে যাবে সে দরজা হাজার চেষ্টা করেও খুলতে পারবেন না। আমি এই বিষয়টির সায়েন্টিফিক রেফারেন্সটা দিতে পারছি না যেহেতু আমি সায়েন্স এর স্টুডেন্ট নই। তবে পানির চাপের একটি প্রভাব কাজ করে। 


তৃতীয় যেই কাজটি করব সেটি হলো জানালা খুলে বের হওয়ার চেষ্টা। প্যানিক এট্যাক হওয়ার কারণে এ কাজটায় খুব বেশি লাকি না হলে আপনি সফল হতে পারবেন না। উল্টো জানালা খোলার কারণে গাড়িতে তাড়াতাড়ি পানি ঢুকবে। 


আমরা যা করতে পারি: সবার প্রথমে প্যানিক এট্যাক থেকে নিজেকে বাঁচাতে হবে। তাহলে অর্ধেক যুদ্ধ আপনি জিতে গেলেন। দ্বিতীয়ত গাড়ির সব দরজা লক থাকলে আনলক করে নিতে হবে। তৃতীয়ত জানালা সব বন্ধ করে দিতে হবে, এতে পানি গাড়ির মধ্যে ঢুকতে সময় নিবে। চতুর্থত গাড়ির দরজা ৯০%, ৯৫% বা ১০০% পনিরে নিচে ঢুবা পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে। ৯০%-১০০% ঢুবার পরে খোলা যায়। আংশিক বা অর্ধেক ঢুবানো অবস্থায় খোলে না। সেই সুযোগটা আপনাকে কাজে লাগাতে হবে। সেই সময় পর্যন্ত গাড়ির কিছু অংশে পানি ভরা বাকি থাকে। সেই অক্সিজেন ব্যবহার করতে হবে। 


আর সবচেয়ে বড় কথা আপনার প্রতি সৃষ্টিকর্তা সহায় থাকতে হবে। উনি চাইলে যে কোন বিপদ থেকে আপনি রক্ষা পাবেন। তাই সৃষ্টিকর্তাকে স্মরণ করুন। কোন এক্সপার্ট ভাই থাকলে এই বিষয়গুলো সুন্দভাবে ফুটিয়ে তোলে সচেতন করতে পারেন।


Post a Comment

Previous Post Next Post