💥🕺হাত উপরে উঠাতে পারছেন না⁉️
কাঁধ/সোল্ডার জয়েন্টে প্রচন্ড ব্যাথা ও শক্ত ভাব⁉️
বিস্তারিত জানুন ⤵️⤵️⤵️
🛑সাধারণত কাঁধে ব্যাথা ও শক্ত
হলে তাকে ফ্রোজেন শোল্ডার বলা হয়।
💥কাঁধে ব্যাথা / ফ্রোজেন সোল্ডার হওয়ার কারণ:⤵
📌দীর্ঘ দিন কাঁধের জয়েন্টের নড়াচড়া না করা
📌হাতভাঙ্গা জনিত কারণে প্লাস্টার করা
📌হাড়ভাঙ্গা জনিত কারণে কাঁধের অপারেশন ।
📌রোটেটর কাফ মাসল ইনজুরি
📌বয়স: যাদের বয়স ৪০ উপরে তাদের হয়
📌ডায়বেটিস :মোট ডায়বেটিস রোগির ১০- ২০% রোগির ফ্রোজেন সোল্ডার হয়।
📌শরীরে হরমোনের ভারসাম্য হীনতা: থাইরয়েড হরমোন কমে/ বেড়ে যাওয়া
📌স্ট্রোক
📌ফুসফুস ও হ্রদরোগ জনিত রোগে যারা বেশি দিন ভোগে
💥রোগের লক্ষণ :⏬⏬
📍কাঁধে ব্যাথা বিশেষ করে রাতে বেশী ব্যাথা করে ।
📍 কাঁধের জয়েন্ট শক্ত হয়ে যায়, যে কারণে হাত উপরে ওঠাতে পারে না
📍যে কাধে ব্যাথা ওই কাধে ভর দিয়ে ঘুমাতে পারেন না কিংবা ব্যাথার কারণে রাতে ঘুম ভেঙ্গে যায়
📍 হাত দিয়ে মাথার চুল আচড়াতে পারেন না
📍হাত পিঠের দিকে নিতে পারেন না
📍মানিব্যাগ পিছনের পকেট থেকে বের করা কষ্টকর হয়
📍জামা- কাপড় পরতে কষ্ট হয়
📍 একটু আঘাত লাগলেই প্রচন্ড ব্যাথা অনুভূত হয়।
💥জয়েন্টের ভিতরে ঘটে ⁉️
📁আমাদের কাঁধ/সোল্ডার জয়েন্টে ক্যাপসুল নামে জিনিস থাকে। যখন আমরা হাত মাথার উপরে উঠাই তখন সেই ক্যাপসুলে টান পরে। আবার যখন হাত নিচে নামান তখন সেই ক্যাপসুল ঝুলে থাকে। ফ্রোজেন শোল্ডার তখনই হয় যখন কাঁধের ভিতরের ক্যাপসুলে প্রদাহ জনিত কারণে ফুলে যায় এবং মোটা হয় ও ক্যাপসুলে স্ক্যার টিস্যু তৈরি হয়। এইভাবে জয়েন্ট জমে/ ফ্রোজেন হয়ে যায়।
যখন এই ব্যাপারটি ঘটে তখন তা অস্পষ্ট থাকে। মেডিকেলের ভাষায় একে এ্যাডিসিভ ক্যাপসুলাইটিস বলা হয়।
💥এই রোগের সমস্যার উপর ভিত্তি করে তিনটি ধাপে ভাগ করা হয়
1️⃣Painful stage : এ ধাপে ধীরে ধীরে ব্যথা বাড়তে থাকে এবং জয়েন্ট শক্ত হতে থাকে। কাঁধের যে কোন ধরনের মুভমেন্ট করতে গেলে ব্যথা হয়।
2️⃣ Frozen Stage: এ ধাপে ব্যাথা কমতে থাকে কিন্তু জয়েন্ট শক্ত হয়ে যায় এবং মাংসপেশী দুর্বল হতে থাকে।
3️⃣ Thawing or Recovery Stage:
এ ধাপে ধীরে ধীরে কাঁধের নাড়া চাড়া করার ক্ষমতা ফেরত আসে কিন্তু মাংসপেশী দুর্বল থাকে।
🛑পরিক্ষা:
📎X- ray of Shoulder Joint B/v
📎MRI of Shoulder
📎Musculoskeletal Ultrasonograpy of Shoulder joint
💥চিকিৎসা:
1️⃣ব্যাথানাশক ঔষধ: ব্যাথা কমানোর জন্য বিভিন্ন ধরনের ব্যাথানাশক ঔষুধ খেলে সাময়িক ব্যাথা কমে। তবে অবশ্যই দীর্ঘ দিন ব্যাথার ঔষুধ খাওয়া উচিত নয়।
2️⃣ জয়েন্টে স্টেরয়েড ইনজেকশন: জয়েন্টে স্টেরয়েড ইনজেকশন দিলে প্রদাহ/ ইনফ্লামেশন কমে যায়।
🛑ফিজিওথেরাপি: PHYSIOTHERAPY
বিভিন্ন ধরণের থেরাপিউটিক এক্সসারসাইজ প্রয়োগ করা হয় এই রোগের জন্য ।যেমন:
✔️সোল্ডার মবিলাইজেশন
✔️স্ট্রেচিং এক্সসারসাইজ
✔️স্ট্রেনথিনিং এক্সসারসাইজ
✔️পুলি এক্সসারসাইজ
✔️ওয়াল ক্লামবিং এক্সসারসাইজ
✔️টাওয়ালিং এক্সারসাইজ
✔️সোল্ডার হুইল এক্সসারসাইজ
✔️ওয়ান্ড এক্সসারসাইজ
✔️পেন্ডুলাম এক্সসারসাইজ
✔️সফট টিস্যু রিলিজ: সোল্ডার জয়েন্টের নড়ানড়া সম্পর্কিত অনেক ধরনের মাংসপেশি থাকে সেগুলো অনেক টাইট হয়ে যায়, এই টেকনিকের মাধ্যমে মাংসপেশি গুলো নরম করা হয়।
✔️ড্রাইনিডিলিং : এক ধরনের অতি সুক্ষ সুঁচ দিয়ে কাঁধের আশেপাশের কিছু নির্দিষ্ট মাংসপেশি ঢুকে দেওয়া হয় ।
🛑ELECTROTHERAPY:
ইলেকট্রোথেরাপি : বিভিন্ন ধরনের যন্ত্রের সাহায্যে ব্যাথা কমানোর জন্য থেরাপি দেওয়া হয় যেমন:
🎈UST Ultra Sound Therapy
🎈SWD Short Wave Diathermy
🎈IRR Infrared Radiation
উপরোক্ত ফিজিওথেরাপি চিকিৎসার মাধ্যমে দ্রুত Frozen shoulder রোগটি ভাল করা সম্ভব।
