বাপের উপর ছেলে মেয়েদের যে হক গুলো আছে এর মধ্য একটা হক হলো ছেলেমেয়েদের কুরআন শিক্ষা দেয়া

 



বাপের উপর ছেলে মেয়েদের যে হক গুলো আছে এর মধ্য একটা হক হলো  ছেলেমেয়েদের কুরআন শিক্ষা দেয়া । আপনি যদি আপনার বাচ্চাদের কুরআন শিক্ষা না দেন তবে আপনি আপরাধী হিসেবে গণ্য হবেন । রোজ কিয়ামতের দিন আপনার ছেলে মেয়েরা আপনার বিরুদ্ধে মহান আল্লাহর নিকট অভিযোগ দায়ের করবেন, ঐ দিন দেখবেন আপনার ছেলে, আপনার মেয়ে, আপনার দুশমন। যতোই ভালো খাবার দেন, বা যতই ভালো কাপড় চোপড় দেন, কুরআন না পড়ালে ধরা খাবেন । কারণ যখন সিংগায় ফুৎকার দেয়া হবে তখন আত্মীয়তার বন্ধন থাকবে না । সে জন্য আজকেই নিজের ছেলে মেয়েদের পবিত্র কুরআন শিক্ষা দিন । ছেলেমেয়েদের নামাজী বানান । মহান আল্লাহ পাক পবিত্র কুরআনে এরশাদ করেছেন । তোমার নিজেকে জাহান্নামের আগুন হতে বাঁচাও । তোমার পরিবারের সদস্যদের জাহান্নামের আগুন হতে বাঁচাও । পরিবারের লোকদের নামাজের আদেশ করুন । আপনার কতো আদরের ছেলে মেয়ে!! বেনামাজী হওয়ার কারণে আপনার চোখের সামনে আপনার ছেলে মেয়েদের  রোজ কিয়ামতের দিন চুলের খোপা ধরে এবং পা ধরে জাহান্নামের আগুনের মধ্যে ফেলে দিবে । প্রতিদিন তাদের কে নামাজে যত্নবান হওয়ার জন্য নসিহত করুন । কেউ এই পৃথিবীতে চিরকাল থাকবে না । দাদা নানা চৌদ্দ গোষ্ঠীর লোকজন চলে গেছে আমাকে আপনাকে ও যেতে হবে । যদি নেককার সন্তান রেখে যেতে পারেন, আপনি মারা গেলে ও তাদের দোআ পাবেন । আর যদি বেনামাজী কু সন্তান রেখে যান । তাহলে তো আপনার কোনও লাভ হলো না। সে নিজে ও চরম ক্ষতিগ্রস্ত হলো । আর নসিহতের সাথে সাথে তাদের জন্য মহান আল্লাহর নিকট দোআ ও করা । কারণ বাপের দোয়া সন্তানের জন্য কবুল হয় । যত কিছুই করুক কখনো সন্তানের জন্য বদদোয়া করবেন না, সেটা ও কবুল হয়ে যায় । শত হলেও তো আপনার সন্তান । বাচ্চাদের সামনে মিথ্যা কথা বলবেন না । বাচ্চাদের সামনে সিগারেট খেলে তারা ও শিখে যাবে । বাচ্চাদের সামনে তাদের মাকে অপমানিত করবেন না । আর বাচ্চাদের আদর করবেন । দরকার হলে শাসন করবেন । তবে অনেকেই আছে বাচ্চাদের খুব জোরে মারে । কোন অবস্থাতেই সেটা জায়েজ নয় । আমাদের নবী সা কোনও দিন নিজের সন্তানদের মারেন নি । স্ত্রী বা গোলাম বাদী কাউকেও নিজের হাতে মারেননি। তবে শুধুমাত্র যেখানেই মহান আল্লাহর সম্মানের হানি ঘটে সেখানেই মহান আল্লাহর জন্য প্রতিশোধ নিয়েছেন । সন্তানদের কথায় কথায় মারবেন না, শুধুমাত্র নামাজের জন্য মারবেন । আপনার উপর আরো হক উপযুক্ত হলে তাদের বিবাহ দিয়ে দেয়া । তাদের ভালো নাম রাখা । তাদের জন্য ভালো মা নির্বাচন করা, অবশ্যই এইটা বিবাহের আগে । কারণ দ্বীনদার মা হলে বাচ্চারা ও দ্বীনদার হয় । আরেকটা তিক্ত  কথা বলতেই হয়, অনেক শিক্ষিত নামীদামী মানুষ ছেলে মেয়েদের পিছনে অনেক টাকা পয়সা খরচ করে কষ্ট করে ছেলে মেয়েদের বড় শিক্ষিত বানিয়ে বড় পজিশনে নিয়ে গেছে, কিন্তু কুরআন ও ইসলামী আদব কায়দা শিক্ষা দেয়নি আজ তাদের থাকতে হচ্ছে বিদ্যাশ্রমে, একাকী মৃত্যুর প্রহর গুনছে অথচ বিদ্যাশ্রমে হাফেজ আলেমদের মা বাবাকে পাবেন না ।  মহান আল্লাহ পাক আমাদের সকলের বাচ্চাদের নেককার করুক ।

Post a Comment

Previous Post Next Post