বেলের শরবতের সবচেয়ে উপকারীতা কেন?

 শীতের পর আসে গরম।আবহাওয়ার এই পরিবর্তনের প্রভাব পরে সকলের উপর।এই গরমে পেট ঠাণ্ডা রাখতে বেশি করে স্বাস্থ্যকর ফলের শরবত খাওয়ার পরামর্শ দেন পুষ্টিবিদরা। তবে রাস্তায় বানানো ফলের শরবত নয়, খেতে হবে ঘরে পরিষ্কার পরিবেশে তৈরি টাটকা ফল বা ফলের শরবত।এই গরমে বেলের শরবত  সবচেয়ে উপাদেয় ও পুষ্টিকর।


◼️কচি বেল টুকরা রোদে শুকিয়ে নিলে তাকে বেল শুট বলে। বেল শুটের সঙ্গে পরিমাণমতো বার্লি মিশিয়ে রান্না করে নিয়মিত খেলে আলসার সেরে যায়।গরমের সময় পরিশ্রমের পর বেলের শরবত খেলে ক্লান্তি ভাব দূর হয়। বেলের ভিটামিন ‘এ’ চোখের বাহ্যিক ও অভ্যন্তরীণ অঙ্গগুলোর পুষ্টি জোগায়। এর ফলে চোখের বিভিন্ন রোগ থেকে মুক্তি পাওয়া যায়।

◼️বেল পেটের নানা অসুখ সারাতে অত্যন্ত কার্যকর। দীর্ঘমেয়াদি আমাশয় ও ডায়রিয়া রোগে কাঁচা বেল নিয়মিত খেলে দ্রুত আরোগ্য লাভ করা সম্ভব। 

◼️বেলের শাঁস পিচ্ছিল যা পাকস্থলীর জন্য উপকারী।এটি সঠিকভাবে হজমে সাহায্য করে। তাই কোষ্ঠকাঠিন্য দূর হয়।

◼️বেলে থাকে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার বা আঁশ, যা মুখের ব্রণ সারাতে সাহায্য করে। যাদের পাইলস আছে, তাদের নিয়মিত বেল খাওয়া উচিত। এর ভিটামিন সি গ্রীষ্মকালীন বহু রোগবালাই দূরে রাখে।

◼️জন্ডিসে পাকা বেল গোলমরিচের সঙ্গে শরবত করে খেলে উপকার হয়। 

◼️নিয়মিত বেল খেলে কোলন ক্যানসার হওয়ার আশঙ্কা কমে।

◼️সর্দি হলে বেলপাতার রস এক চামচ খেলে সর্দি ও জ্বর–জ্বর ভাব কাটে।

◼️শিশুরা প্যাকেটের জুস ও কোমল পানীয়তে আসক্ত। এই জুস না দিয়ে শিশুদের এই গরমে ঘরে তৈরি বেলের শরবত খাওয়ানো উচিত। 


বেলের শরবত যেভাবে তৈরি করতে হবে-


উপকরণ: 

-পাকা বেল ১টি, 

-দই ১ কাপ, 

-চিনি আধা কাপ,

-পানি ৪ গ্লাস, 

-বরফ কুচি পরিমাণ মতো।


প্রস্তুত প্রণালী:

 -প্রথমে বেল ফাটিয়ে বেলের ভেতরের অংশ বের করে বিচি ফেলে দিতে হবে।

-ঠাণ্ডা পানি ও বেল ব্লেন্ডারে দিয়ে ব্লেন্ড করে নিতে হবে। 

-এবার ছেঁকে গ্লাসে ঢেলে দই ও চিনি মিশিয়ে বরফ কুচি দিলেই শরবত তৈরী।




Post a Comment

Previous Post Next Post