শরীরের প্রতিটি অঙ্গই খুবই গুরুত্বপূর্ণ।দাঁত ও মাড়ির যত্ন সঠিক ভাবে না নেওয়ার ফলে দাঁত ও মাড়ির রোগ দেখা দেয়,যার চিকিৎসাও ব্যয়বহুল। খাদ্য পিরামিড এর সকল স্তরের খাদ্য পরিমিত পরিমাণে গ্ৰহণ ও সুষম ডায়েট নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে দাঁত ও মাড়ির সুস্থতা বজায় রাখা সম্ভব। তাছাড়া ঘুম থেকে উঠে ও ঘুমোতে যাওয়ার আগে দাঁত অবশ্যই ব্রাশ করতে হবে।
দাঁত ও মাড়ির যত্নে যেসকল খাদ্য বিশেষ ভাবে ভূমিকা রাখে সেগুলো হলো-
◾ক্যালসিয়াম সমৃদ্ধ দুধ ও দুগ্ধজাত খাবার দাঁত ও মাড়ি সুস্থ রাখে। দুধে আছে ক্যাসেইন যা মুখগহ্বরের ক্ষরীয়ভাব নিষ্ক্রিয় করে। পনির মুখে লালার নিঃসরণ বাড়ায় এবং মুখ ও দাঁত পরিষ্কার রাখে। দইয়ের প্রোবায়োটিক মুখ ও দাঁতের স্বাস্থ্য সুরক্ষিত রাখে।
◾ফাইবার সমৃদ্ধ (কপি-জাতীয়) সবজি খেতে হবে।এসকল খাবার ভালো করে চিবিয়ে খেতে হবে,যা দাঁতের জন্য উপকারী।
◾স্ট্রবেরি,কমলালেবু,আপেল ও কাঁচা গাজর দাঁতের জন্য উপকারী। এসকল খাদ্য গ্ৰহণ দাঁত ও মাড়ির স্বাস্থ্যের জন্য ভালো।
◾কাঁচা পেঁয়াজ দাঁত ও মাড়ি ভালো রাখে।কাঁচাপেঁয়াজ নিয়মিত খেলে মুখের ব্যাক্টেরিয়ার সংক্রমণ দূর হয়। দাঁত এবং মাড়ি ভালো রাখতে সাহায্য করে।
◾বাদাম দাঁতের ক্ষয় পূরণে সহায়তা করে এবং দাঁতকে শক্ত করে।
◾খাবার খাওয়ার পর প্রচুর পরিমাণে পানি পান করতে হবে।পর্যাপ্ত পরিমাণ পানি পান করলে এসব আটকে থাকা খাবারের কণা দূর হয়ে যায় ও ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণের সৃষ্টি হয় না।
🚫দাঁতের জন্য ক্ষতিকর খাদ্য সমূহ হলো-
চকলেট, চুইংগাম, বিস্কিট, ফাস্ট ফুড, মিষ্টি, কোমলপানীয় ইত্যাদি খাবার যথাসম্ভব এড়িয়ে চলাই ভালো।
